কেন বারবার রহস্যজনক মৃত্যুর অন্ধকারে হারিয়ে যান ভারতের পরমাণু বিজ্ঞানীরা?


কেন বারবার রহস্যজনক মৃত্যুর অন্ধকারে হারিয়ে যান ভারতের পরমাণু বিজ্ঞানীরা?

প্রকাশঃ অক্টোবর ৩০, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

ভারত একটি পরমাণুশক্তি সম্পন্ন দেশ। বিশ্বের কয়েকটি পরমাণু ক্ষমতা সম্পন্ন দেশের মধ্যে অন্যতম। যদিও অনেক দেশকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারতের এই ক্ষমতা। কিন্তু এই বিশেষ আবিষ্কারের পিছেন যাদের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তাদের জীবন যেন কোনও এক রহস্যজনক অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে। দেশের এমন অনেক পরমাণু বিজ্ঞানীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, যাদের মৃত্যু রহস্য উদঘাটন হয় না। উদঘাটন করার চেষ্টাও খুব একটা হয় না। আত্মহত্যা বা অজ্ঞাত কারণ দেখিয়েই মামলার ইতি টানে পুলিশ।

এটা তো সত্যি যে বিশ্বের অনেক দেশের কাছেই ভারতের এই উন্নতি যথেষ্ট হিংসার কারণ। তাই ষড়যন্ত্রের প্রশ্নও কিন্তু একেবারে এড়িয়ে দেওয়া যায় না। সম্প্রতি এক আরটিআই-এর ভিত্তিতে এমন কিছু তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে যা সত্যিই চিন্তার কারণ। বম্বে হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলাও হয়। তদন্তের জন্য একটি বিশেষ টিম তৈরি করার আবেদন জানানো হয়।

1. প্রথম ঘটনা ঘটে আজ থেকে বহু বছর আগে ১৯৬৬ সালে। ভারতে পরমাণু বিজ্ঞানের জনক হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার মৃত্যু হয়। ভিয়েনা থেকে এবার ইন্ডিয়ার বিমানে আসছিলেন তিনি। জানা যায়, ওই বিমানের কোনও যান্ত্রিক গোলযোগের খবর ছিল না। এমনকি মাঝপথেও নিয়ম মেনে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি নেই বলে রিপোর্ট করা হয়। আর তার ঠিক ৫ মিনিটের মধ্যে ভেঙে পড়ে বিমানটি। হোমি ভাবা সহ মোট ১১০ জন ভারতীয়ের মৃত্যু হয়। এই ঘটনা নিয়ে আর কোনও তদন্ত এগোয়নি ভারত সরকার।

2. ২০০৩ সালে ৪৮ বছরের পরমাণু বিজ্ঞানী লোকনাথন মহালিঙ্গমের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পাঁচদিন পর তাঁর দেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।

5. ২০১১ তে বিএআরসি বিজ্ঞানী উমা রাওয়ের মৃত্যু হয়। ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

6. ভারতে ব্যালিস্টিক সাবমেরিন আইএনএস আরিহন্তের জন্য কাজ করছিলেন কেকে জোশ ও আবিশ শিবম। দু’জনের দেহ উদ্ধার হয় রেললাইনে। তাঁদের বিষপ্রয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা যায়।

নিজের বইয়ের খবর রাখেন না মুহিত

October 30, 2017

হাইজ্যাক আতঙ্ক, আমদাবাদে নামানো হল জেটের দিল্লীগামী বিমান

October 30, 2017

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *