মেনু ক্যাটাগরি

মহাপ্রলয়

লেখক ড. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রাহমান আরিফী

প্রকাশক হুদহুদ পাবলিকেশন্স

আইএসবিএনঃ 9789849001149

ছাড়ে মুল্য ৳ ৩২৫.০০

বাজার মুল্য ৳ ৫০০.০০

রেটিং

মহাপ্রলয়! এক অপ্রিয় সত্য। প্রায় সব ধর্মেই এর উল্লেখ আছে। এমনকি মহাকাশ বিজ্ঞানীরাও এর সতর্কবাণী করে যাচ্ছে। কিন্তু কেমন করে হবে এই মহাপ্রলয়, যাতে এই মহাবিশ্ব ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে? • আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশত বছর পূর্বে এক মহামানব বার বার সতর্ক করে গেছেন মানব জাতিকে এই মহাপ্রলয় সম্বন্ধে। বিভিন্ন সময়ে তিনি মহাপ্রলয়ের বিভিন্ন নিদর্শন বর্ণনা করেছেন। তাঁর সাথীরা পরম যত্নে তাঁর কথাগুলোকে সংরক্ষণ করেছেন। সেখানে এমন কিছু ঘটনার আভাস ছিল, উচ্ছল একজন যুবকের রক্তে যা শিহরণ জাগায়। যুগে যুগে তাই কিছু গোষ্ঠী এই “কথাগুলোকে” নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার কাজে লাগিয়েছিল। • বর্তমানেও মহাপ্রলয় নিয়ে প্রলয়ঙ্করী কর্মকাণ্ডের অভাব নাই। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে এগুলোর ব্যাখ্যা দিচ্ছে। মুসলিম ছাড়াও খ্রিস্টান আর ইয়াহুদী সম্প্রদায়ের অনেকেই এসব গবেষণায় নিয়োজিত। মুসলিম মানসে যেগুলো সবচে বেশি নাড়া দিচ্ছে তা হল ঈমাম মাহদী ও ঈসা আ. এর আগমন, দাজ্জাল ও ইয়াজুজ মাজুজের প্রকাশ পাওয়া। • সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাওয়া মুসলিম সমাজের অবস্থা এমন যে এক ঈমাম মাহদী আসলেই সব সমস্যার আসান হয়ে যাবে। তাই তারা নিজের সামর্থ্যের যথাব্যাবহার না করে অপেক্ষায় থাকে বিশ্বের কোথাও এমন কিছু ঘটে কিনা যা ঈমাম মাহদির পূর্বাভাস দেয়। • এমনসব বাড়াবাড়ি আর ছাড়াছাড়ির ঘূর্ণিপাক থেকে মুসলিম সমাজকে সঠিক দিশা দিতে এগিয়ে আসেন মুহাম্মদ আরিফী। তিনি সৌদি আরব নিবাসী একজন দাঈ, যিনি যুবকদের মন মানসিকতা ভাল বুঝেন। তিনি কুরআন ও হাদীসের আলোকে শেষ জামানা সম্পর্কিত নিদর্শনাবলী একত্রিত করে এই গ্রন্থে রূপ দেন। • কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত নিদর্শনাবলী কে তিনি ক্ষুদ্রতর ও বৃহত্তর এই দুটি ভাগে ভাগ করেন। ১৩১ টি ক্ষুদ্রতর ও ১০ টি বৃহত্তর নিদর্শন তিনি উল্লেখ করেন। ক্ষুদ্রতর নিদর্শনকে আবার দুই ভাগ করেন: ৮৪টি নিদর্শন যা ঘটে গিয়েছে ও বাদবাকি ৪৭টি যা এখনও ঘটে নাই। ঈমাম মাহদির আগমনকে কিন্তু তিনি ক্ষুদ্রতর এর মাঝে রেখেছেন, একেবারে শেষ নিদর্শন। তিনি এমন ১০টি নিদর্শনকে বৃহত্তর হিসেবে বর্ণনা করেছেন যেগুলো ঘটলেই কিয়ামত ঘটে যাবে। • বইটির পাতায় পাতায় রঙিন লেখা আর ছবির ছড়াছড়ি। ছবির মধ্যে আছে আলোচনা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় নকশা আর মানচিত্র। তাই বলে অপ্রয়োজনীয় ছবির সংখ্যাও কম নয়। প্রকাশক একটু নতুনত্ব আনতে চেয়েছেন এর মাধ্যমে। তবে এসবের মাধ্যমে বইয়ের কলেবর বেড়ে গেছে। • বইটি যথেষ্ঠ তথ্য সমৃদ্ধ, প্রায় সকলেরই বুঝার উপযোগী। তবে এই বিষয়ে সম্পূরক অন্যান্য বইও পড়া উচিত। বইটি পড়ার পর লেখকের “পরকাল” বইটিও পড়া উচিৎ। কারণ পরকালের চিন্তাই মহাপ্রলয়ের জ্ঞানকে সঠিক দিকে নিয়ে যাবে।
আপনি লগড ইন নাই, দয়া করে লগ ইন করুন