মেনু ক্যাটাগরি

রাগ করবেন না : হাত বাড়ালেই জান্নাত

লেখক ড. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রাহমান আরিফী

সম্পাদকঃ মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসঊদ

ছাড়ে মুল্য ৳ ১৫৬.০০

বাজার মুল্য ৳ ২৪০.০০

রেটিং

তোমার প্রভুর পথে আহ্বান করো প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে এবং তাদের সাথে উত্তম পন্থায় বিতর্ক করো,,(সূরা আন-নাহল:১২৫) শুরু করছি আল্লাহর নামে, যিনি পরম দয়ালু ও অতিশয় করুনাময়,,সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি জগত সমূহের প্রতিপালক,দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এবং তার পবিবার-পরিজনের উপর। আমরা সবাই জানি,মানুষ নানা কিসিমের হয়ে থাকে। কেউ ধনী,কেউ দরিদ্র। কেউ ধৈর্য্যশীল, কেউ রাগী।কেউ দানশীল,কেউ কৃপণ ইত্যাদি।মানুষের এই শ্রেনিভেদকে সামনে রেখে তাদের সাথে আমাদের কেমন আচরন করা উচিৎ। এই বিষয়টি নববী যিন্দেগীর কিছু ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে,,তার মধ্য থেকে কিছু ঘটনা হলো উল্লেখ্য করা হলো: আনাস রাঃ থেকে জানা যায় যে,,রাসূল (সাঃ) কখন তাকে ""উফ"" শব্দটুকুও বলেন নি।  আয়েশা রাঃ এর হাদিস থেকে জানা যায় ""একবার নবী (সাঃ) এসে বললেন,, তোমাদের কাছে কি খাবার আছে??তারা বললেন,, না। তখন তিনি রাগ করলেননা। এমন কোন কথাও বললেন না যে,, কেন তোমরা নাস্তা তৈরি করলে না?? অথচ তোমরা জান আমি ক্ষুধার্ত।মসজিদ থেকে আগমন করবো।তিনি শুধু বলেছিলেন,ঠিক আছে।আমি তাহলে সিয়াম পালন করলাম। আরেকবার নবী (সাঃ)এসে বললেন,,তোমাদের কাছে খাবার আছে??তারা বললেন জী আছে।তিনি বললেন, তাহলে নিয়ে আসো। তারপর তিনি বললেন তোমাদের কাছে কি তরকারী আছে??তারা বল্লো আমাদের কাছে শুধু সিরকা আছে।তিনি বললেন নিয়ে এসো।তারপর সেটা দিয়েই তিনি ভোজন পর্ব সম্পাদন করলেন। প্রিয় নবী (সাঃ) সব ক্ষেত্রেই বিবেক দিয়ে কাজ করতেন,,,উদাহরন স্বরূপ একবার তার কাছে এক গ্রাম্য লোক এসে মসজিদে প্রশ্রাব করে দিল। সাহাবিরা এই দৃশ্য দেখে তাকে বাধা দিতে উদ্যত হল।কারণ তারা কেবল আবেগ দিয়েই বিষয়টি বিবেচনা করেছিলেন কিন্তু নবী (সাঃ) ঠিকই ভেবেছেন এমনটা হলে কি কি অঘটন ঘটতে পারে।তাই তিনি বললেন,, "তাকে বাধা দিওনা।' এরপর এক বালতি পানি আনতে বলে তা ধুয়ে দিলেন।  যদি তাকে বাধা দেওয়া হত তাহলে প্রথমেই যা ঘটনার আশংকা ছিল তা হল,তার কাপড় নাপাক হয়ে যেত।দ্বীতীয় তার ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার আশংকা ছিল,,অথবা ব্যথা বা হঠাৎ প্রশ্রাব বন্ধ হওয়া থেকে সৃষ্ট নির্দিষ্ট ধরনের রোগেও সে আক্রান্ত হতে পারতো। এরকম আর অনেক উদাহরন দিয়ে বুঝানো হয়েছে রাগ করা আমাদের জন্য কত টা ক্ষতিকর,,,আর রাগ না করা কতটা উপকারী,,,রাগ করার শাস্তি কতটা ভয়ংকর আর না করার পুরুষ্কার নিয়েই লেখক আলোচনা করেছেন,,,যারা অতিরিক্ত রাগী এবং রাগ কন্ট্রোল করতে চান অথচ পারেন না তাদের জন্য বইটা আদর্শ বই হবে ইন শা আল্লাহ,,, আর এই লেখকের সব গুলা বই ই আমার অনেক ভাল লাগে,,,তার বইয়ের কোন ক্ষুদ ধরার যোগ্যতাও আমার নেই,,,ইভেন কোন বইয়েরই ক্ষুদ আমি ধরতে পারি না
আপনি লগড ইন নাই, দয়া করে লগ ইন করুন